শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন

রংপুরের মিঠাপুকুরে নারী ইউপি সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ : / ২১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত রতনের বিরুদ্ধে একই পরিষদের নারী সদস্যকে (প্যানেল চেয়ারম্যান) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। চলতি মাসের ২ তারিখে ওই নারী বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত ওই চেয়ারম্যান বালারহাট ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহ-সভাপতি ছিলেন। এ ঘটনার পরে দলীয় পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবুল হাসনাত রতন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কাজে বাইরে গেলে ওই নারী সদস্যকে দায়িত্ব দিয়ে যান। স্বাভাবিকভাবে চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে গঠে। গত ২৮ মার্চ সরকারি বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনার কথা বলে তাকে রংপুর শহরের আদর্শপাড়ায় চেয়ারম্যানের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান চেয়ারম্যানের ব্যাক্তিগত সহকারী আল আমিন। ঘরে ঢুকে আলাপকালে পূর্ব পরিকল্পনা মতো আল আমিন সটকে পড়ে।

ওই নারী সদস্য বলেন, ‘কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে সুযোগ পেয়ে আমি দু-একজন ইউপি সদস্যসহ লোকজনকে ঘটনাস্থলে আসতে বলি। তারা এলে চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। সমাধান না হওয়ায় চলতি মাসের ২ তারিখে রংপুর কোতয়ালি থানায় ধর্ষণ মামলা করি।’

মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল বাতেন হারুন বলেন, ‘এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রায় মাস দুয়েক আগে বহিস্কার করা হয়েছে। তিনি জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান হওয়ায় তাকে ওই ইউনিয়ন কমিটির সহ-সভাপতি পদে রাখা হয়েছিল। তিনি এখন জামায়াতে ইসলামীর কেউ নন। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান হাসনাত রতনের ফোনে একাধিক কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি পলাতক রয়েছেন।

এ ব্যাপারে রংপুর কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ