শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

রংপুর সিটি করপোরেশনে মশকনিধনে দেড় কোটি টাকা, তারপরও বাড়ছে উপদ্রব

শিপুল ইসলাম / ১৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫

রংপুর মহানগরীর সেনপাড়ার বাসিন্দা জাহিদা খাতুন। গত বছর মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে ভুগেছেন এই গৃহবধূ। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু জ্বরের কষ্ট কী জিনিস বুঝেছি। এ জ্বরে আক্রান্ত হলে কেউ বাঁচে, কেউ মারা যায়। আমরা ট্যাক্স, ভ্যাট দেই, কিন্তু মশা তাড়াতে সিটি করপোরেশনের কোনো কার্যক্রম দেখি না। দিনে-রাতে সমান তালে মশা কামড়ায়। কয়েল জ্বালিয়ে কিংবা স্প্রে করেও কাজ হচ্ছে না।’

শুধু জাহিদা খাতুন নয়, এমন অভিযোগ পুরো মহানগরবাসীর। তবে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের দাবি, মশকনিধনের লক্ষ্যে ওয়ার্ডগুলোতে কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, নগরীতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত পাঁচজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। রংপুরের সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানা বলেন, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে পাঁচজন। মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন থাকতে হবে। আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

রংপুর সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশকনিধনে সিটি করপোরেশন ব্যয় করেছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আর চলতি অর্থবছরে এ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তারপরও মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

নগরবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নগরীর খাল ও ড্রেন পরিষ্কার না করায় সেগুলো ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সেখানে প্রজনন বাড়ছে মশাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গের। নগরীর কেরানীপাড়ার দুলাল হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘রংপুরের প্রাণ শ্যামাসুন্দরী খাল। কিন্তু এটা আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মশা-মাছির কারখানায় পরিণত হয়েছে।’

সরেজমিন শ্যামাসুন্দরী খালপাড় গোমস্তাপাড়ায় দেখা গেছে, মশার হুল থেকে রক্ষায় দিনেও টানানো মশারি। অনেক বাড়িতে বন্ধ রাখা হচ্ছে দরজা-জানালা। বাসিন্দারা বলছেন, মশার উপদ্রবে মশারি টানিয়ে, স্প্রে করে ও কয়েল জ্বালিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না।

তবে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন ও স্প্রে দিয়ে মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। তবে জনবল, মেশিন ও ওষুধস্বল্পতার কারণে একটু ধীরগতিতে কাজ হচ্ছে।

সূএ : আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ