‘এত সুখে থাইকেন না, ভালো হবে না। সে জন্য বলছি অযথা আর কোনো লোককে লীগ বলে ধরবেন না। দেশের পুরোটাই তো আওয়ামী লীগ। মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ, মুক্তিযুদ্ধের আওয়ামী লীগ’ বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ছাতীহাটি নিজ গ্রামে জুমার নামাজের পর এলাকাবাসীর সঙ্গে এক সৌজন্য সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ করেছি। ভাসানীর আওয়ামী লীগ করেছি, বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করেছি, গণমানুষের আওয়ামী লীগ করেছি। আমি নারী প্রেম করি নাই, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে মানুষকে ভালোবাসতে শিখেছি, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে দেশকে ভালোবাসতে শিখেছি। দেশপ্রেম সহজ জিনিস না। দেশপ্রেম ধারণ করতে তপস্যা করতে হয়, ধৈর্য ধারণ করতে হয়। গণমানুষের ভালোবাসা পেলে দেশপ্রেম হয়ে যায়।’
বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, সরকার বাহাদুরকে বলি, এইযে প্রতিদিন লোক ধরে নিয়ে যান, সেটা বন্ধ করেন। আজকে থেকেই বন্ধ করেন, অন্তত্যপক্ষে টাঙ্গাইলে ধরা বন্ধ করেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে আমার অন্তর থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি যে, শেখ হাসিনা সবার আগে অধ্যাপক ইউনূসকে চিনেছেন। আমরা তার অনেক পর তাকে চিনলাম। আমি তো বহু মানুষের পর চিনলাম। আমার কাছে মনে হতো অধ্যাপক ইউনূস অনেকটা ভালো মানুষ। আমি আজকে মসজিদের সামনে দাড়িয়ে বলি ইউনূস সাহেব আপনি বিদ্যান মানুষের, ভালো মানুষের, যোগ্য মানুষের পরিচয় দিতে পারেন নাই। শেখ হাসিনা বলতেন আপনি সুদখোর, আমি ভাবতাম সে অন্যায় বলেছে। আজকে বলছি শেখ হাসিনা ঠিক বলেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদ্য কারামুক্তি পাওয়া বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর বড় ভাই সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক সংসদ সদস্য লায়লা সিদ্দিকী প্রমুখ।