শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

দেশি মুরগি খেতে না পারা’ সেই শিক্ষিকার আছে ৫ তলা বাড়ি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

দেশি মুরগি খেতে না পারা’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড় তোলা ‘অভাবী’ শিক্ষিকা শাহিনুর আক্তার শ্যামলীর তিনটি বাড়ি আছে বলে জানা গেছে।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহিনুর আক্তারের পরিবার সচ্ছল। তার বড় ভাই সালাউদ্দিন মোল্লা ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন। ছোট বোন সোহেলি চট্টগ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। নিজ এলাকায় তার একটি একতলা বাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার বড়ুয়ায় রয়েছে স্বামীর দোতলা বাড়ি।

শুধু তাই নয়, হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডে আরাম কটেজের পাশে একটি পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে শাহিনুর আক্তারের। তিনি ও তার বোন বাড়িটির মালিক। শিক্ষকতার পাশাপাশি একটি বিউটি পার্লারও পরিচালনা করেন শাহিনুর আক্তার।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক লাইভে ভাইরাল হওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন শাহিনুর আক্তার শ্যামলী। তিনি বলেন, ‘আমি একজন শিক্ষক প্রতিনিধি। আমি দীর্ঘদিন এই পেশায় জড়িত। এখানে আমি ব্যক্তি শাহিনুরের কথা বলিনি। আমি আন্দোলনের সময় এ মন্তব্যের মাধ্যমে সব শিক্ষকের কষ্ট ও ক্রন্দন বোঝাতে চেয়েছি।

তিনি জানিয়েছেন, যা বলেছি রুপক অর্থে বলেছি, যা আমাদের আন্দোলনকে বেগবান করেছে। শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের কষ্টে আমি একজন শিক্ষক নেত্রী হয়ে সহ্য করেছি। তাই আবেগতাড়িত হয়ে শিক্ষকদের কল্যাণেই আমার এ বক্তব্য।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডে শিক্ষিকা শাহিনুরের বাড়ি। হাজীগঞ্জ গার্লস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক তিনি। উপজেলা শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন শাহিনুর। তার স্বামী কচুয়া উপজেলার রহিমানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

শ্যামলীর গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাসারা গ্রামের মোল্লা বাড়িতে। তার এক মেয়ে ঢাকায় একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করছে এবং ছোট ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বড় ভাই সালাউদ্দিন মোল্লা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন, আর ছোট বোন সোহেলি চট্টগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

সম্প্রতি রাজধানীতে শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন শিক্ষিকা শাহিনুর। এক গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা দেশি মুরগি খেতে পারেন না’-তার এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ