শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

সারজিসের বক্তব্যের সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

পঞ্চগড়ে বক্তব্যের সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বক্তব্যের যে ভাষা, সেটা কয়েকটি বিষয় ইঙ্গিত করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।

একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে কথা বলতে গিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত পরশু আশুগঞ্জে আমার একটা বিরাট জনসভা ছিল। ওখানে প্রায় ১০ হাজারের মতো মানুষ জমা হয়েছিল। আমি বক্তব্য দিতে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কারেন্ট চলে গেছে।

জেনারেটরও ঠিকমতো কাজ করছিল না কোনো একটা কারণে। কারণ লোক তো অনেক, জেনারেটরের তার বোধ হয় ছিঁড়ে গেছে। এ কারণে আমাকে ১০-১৫ মিনিট মাইক ধরে সবাইকে থামিয়ে বক্তব্য দিতে হয়েছে।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এটা তো খুব স্বাভাবিক ঘটনা বাংলাদেশে।

বাংলাদেশে বিদ্যুতের ক্রাইসিস অনেক। ঢাকার বাইরে যদি আপনি না যান, শুধু ঢাকা শহরে বসে আপনি ক্রাইসিস টের পাবেন না। এলাকাগুলোতে গ্রামগঞ্জগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইলেক্ট্রিসিটি থাকে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টা যদি বিদ্যুৎ থাকে তো ১২ ঘণ্টা থাকে না।

এটার মধ্যে দিয়েই তো আমরা কাজ করছি এবং আমি বহুবার এরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি।’

‘কিন্তু সারজিস যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, এই ভাষাটা কয়েকটা বিষয় ইঙ্গিত করে। সেটা হচ্ছে, আমরা শেখ হাসিনার সময় দেখেছি, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে উনাদের নেতাকর্মীদের এক ধরনের ঔদ্ধত্য তৈরি হয়েছিল। পরের দিকে এবং তারা বলতেন যে নৌকায় ভোট না দিলে এলাকায় ঢুকতে পারবে না, নৌকায় ভোট না দিলে কবরস্থানে জায়গা দেব না, কবরে ঢুকাতে দেব না; ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে অশ্রাব্য কথাবার্তা বলতেন যা হচ্ছে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার ফল।

আর এরা যেহেতু মাত্রই রাজনীতিতে এসেছে, এটা ১৫ মাস হওয়ার আগেই তাদের মধ্যে সেই ঔদ্ধত্য এবং সেই বাক্য দেখতে পাচ্ছি।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আপনি জমিদারের নাতি হতেই পারেন, কিন্তু দেশে আসলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সেরকম নাই। সেই বিদ্যুতের অবস্থা সেরকম না যে, আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ পাবেন। এটা আমাদের সবারই ফেস করতে হয়। কিন্তু আমরা যেহেতু ফেস করে অভ্যস্ত এবং গত ১৫ বছর ধরে ২০ বছর ধরে এগুলো হয়েছে, আমরা এটাতে যে কোনোভাবে মানিয়ে নিয়েছি। আমাদের সেই ধৈর্য প্রজ্ঞা আছে যে রাজনীতিতে এই কথাগুলো বলা যায় না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ