শিরোনাম
রংপুর সিটি ভিউ আবাসিক হোটেলে ৪ তরুণ-তরুণী আটক রংপুরে এসএসসি ১৯৮৬ ব্যাচের উদ্যোগে দিনব্যাপী ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান বেরোবির ৪ শিক্ষার্থীকে ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ প্রদান রংপুরে কুরিয়ার সার্ভিসে আসা চায়ের প্যাকেট থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার দৈনিক দাবানলের ৫৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ষসেরা রিপোর্টার’ সম্মাননায় ভূষিত আহসান হাবিব মিলন রংপুরে পানিতে ডুবে যুবতীর মৃত্যু হয়েছে পোস্ট-পেইড মিটার গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল প্রদানসহ রংপুরে ৬ দফা দাবীতে স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচী তিস্তা বাধের ভাঙন পরিদর্শনে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের প্রতিনিধি দল রংপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার রংপুর হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে আমি তাদের করতে দিছি’

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

বেফাঁস কথা বলে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বরিশাল- ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতা সরদার সরফুদ্দিন সান্টু। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য এবং উজিরপুর উপজেলা সভাপতি। বিএনপি নেতাকর্মীকে চাঁদাবাজিতে উৎসাহিত করতে তাঁর একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের প্রায় পুরো সময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। গত বছর ৫ আগস্টের পর দেশে ফেরেন। তাঁর অনুসারীর বিরুদ্ধে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও দখলের নানা অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় আধিপত্য নিয়ে নেতাকর্মীর একাংশের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়ান সান্টু। বেফাঁস কথা বলে তিনি আলোচিতও হচ্ছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে সান্টুর বক্তব্য বানারীপাড়া ও উজিরপুরে তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা আমি তাদের করতে দিছি। কারণ গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা কিছু খায় নাই। অবস্থা কিন্তু ভালো না। দল ক্ষমতায় না এলে কিন্তু কিছু পাবেন না।’

দলের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, গত জুলাইয়ে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে গঠিত নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সান্টু নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন। ওই সভায় দেওয়া তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার। তিনি নিশ্চিত করেন, সভাটি হয়েছিল উজিরপুরের গুঠিয়ায় সান্টুর বাইতুল ভিউ কনভেশন হলে। সান্টু চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত কথাগুলো বলেছিলেন। মুখ ফসকে সান্টু এসব কথা বলেছেন বলে মনে করেন তিনি।

তবে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, ডিভিওটি আমি দেখেছি। ওটি কোন সভার, চিহ্নিত করতে পারিনি। আমার ধারণা, এটি কাটপিস করে তৈরি করা। এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্যরা এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

বরিশাল-২ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ-বিষয়ক সহসম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু নিশ্চিত করেন, কোনো কাটপিস নয়। তিনি (সান্টু) একের পর এক বেফাঁস কথা বলে দলকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছেন।

এ ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মীরা তার সাথে কথা বলতে সান্টুর ফোনে কল করা হলে তিনি ধরেননি।

এর আগে গত ১৯ জুলাই উজিরপুর ও ২০ জুলাই বানারীপাড়া উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ দুই সম্মেলনে সান্টু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দুই উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে জড়িয়ে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার হাতে দল চালাতে ১০ লাখ টাকা দিয়ে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেছি। ম্যাডাম কথা রেখেছেন।’ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের উদ্দেশে বলেন, ‘তাকে নমিনেশন এনে দিয়ে ভোটে জেতাতে ছয় লাখ টাকা দিয়েছি। অইয়াই আমারে বাঁশ দেওয়া শুরু করছে। আমাকে মামলায় দিয়েছে।’ সরোয়ারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই দিন ভুইল্লা যান। আমি কিন্তু বরিশালে একবার ভোট করেছি, আবারও করে দেখাব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ