শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

পাওনা টাকার নেই খোঁজ, বাকি আদায়ে ব্যানার টাঙিয়ে অভিনব প্রতিবাদ দোকানীর

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের টঙ্গীরচর এলাকার ষাটোর্ধ্ব কাঠুরে ইনতাজ আলী ব্যাপারী। জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন গাছ কাটার কাজ। কিন্তু বয়সের ভার আর নানা রোগের কারণে এখন আর আগের মতো কাজ করতে পারেন না। এই অবস্থায় চরম আর্থিক সংকটে ভুগছেন তিনি।

গত প্রায় ৫ বছর ধরে বেশ কয়েকজন লোকের কাছে তার পাওনা রয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। বারবার অনুরোধ করেও সেই টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে এবার ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন ইনতাজ। পাওনা আদায়ে ব্যানার টাঙালেন ইনতাজ আলী। তিনি জানান, দেনা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে দেনাদারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুনয়-বিনয় করেছেন, এমনকি থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। কিন্তু এতে কোনো ফল না পেয়ে তিনি এখন হতাশ। অর্থাভাবে ঠিকমতো চিকিৎসাও করাতে পারছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত নিজের পাওনার টাকা উদ্ধারে প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।

ইনতাজ আলী একটি ৪ ফুট বাই ৫ ফুটের ডিজিটাল ব্যানারে তার দেনাদারদের নাম এবং টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে স্থানীয় বাজারে টাঙিয়ে দিয়েছেন।

ব্যানারে ইনতাজ লিখেছেন, ‘দিলু ব্যাপারী ৬ হাজার টাকা, হুমায়ুন ব্যাপারী ২ হাজার ৬০০, সুজন ব্যাপারী ৭৫০, নজরুল ব্যাপারী ২ হাজার ৪০০, বারেক গাছের ব্যাপারী ১৩ হাজার ও রতন গাছ কাটে ২০০ টাকা।’

ব্যানারের নিচে লেখা আছে, ‘থানা থেকে অর্ডার, এই বিষয়টা এলাকাবাসীকে জানানোর জন্য। যদি এই টাকা না দেন তাহলে থানায় মামলা হবে।’

ইনতাজ আলীর এই প্রতিবাদী পদক্ষেপ স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ তার এই কাজকে সাহসী প্রতিবাদ বলছেন। আবার কেউ কেউ বিষয়টিতে শত্রুতার আশঙ্কাও করছেন।

ইনতাজ আলী বলেন, দেনাদারদের লজ্জা দেওয়ার জন্যই তিনি এমনটা করেছেন। এতেও কাজ না হলে মাইক নিয়ে প্রচার করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহবুব বলেন, পাওনা টাকা না দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। তবে এভাবে প্রচার করাটা ঠিক নয়। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ