শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

পাটগ্রামে পানির তীব্র সংকটে আমন ধান রোপণে বিপাকে কৃষকরা

মো মুবাশ্বির ইজায মুর্শিদ / ১৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

 

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় পানির সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবং সেচ সুবিধার অভাবে আমন ধানের রোপণ কার্যক্রম শুরু করতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

এ বছর পাটগ্রামে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমন ধানের চারা রোপণের মৌসুম শুরু হলেও অনেক জমিতে এখনও পানির অভাবে চারা রোপণ সম্ভব হয়নি। কৃষকরা জানান, যেসব জমিতে আগেই চারা রোপণ করা হয়েছে, সেখানে চারা শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কৃষক আবুল কাশেম বলেন, “জমি তৈরি করে চারা রোপণ করার জন্য অপেক্ষা করছি। কিন্তু সেচের পানি না পেয়ে সব কিছু থেমে আছে। টিউবওয়েল চালাতে গেলেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট আর খরচ বেশি হওয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।”

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত না থাকায় এবং সেচের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকেরা সময়মতো আমন চাষ করতে পারছেন না।

পাটগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “চলমান খরার কারণে আমন চাষে কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে কৃষকদের বিকল্প সেচ ব্যবস্থার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং সেচ পাম্প ব্যবহারেও সহায়তা করা হচ্ছে।”

এদিকে কৃষকদের দাবি, খরিপ মৌসুমে পর্যাপ্ত সেচ সুবিধা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হলে আমন চাষ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদনেও।

পানির অভাব কাটিয়ে কৃষক যেন নির্ভরযোগ্যভাবে চাষাবাদ করতে পারেন—এমন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন কৃষক সমাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ