শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

সামান্থা জারা নিভা জাবীনরা এনসিপির নয় বাংলাদেশের রত্ন

ডেস্ক নিউজ / ২২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

শেখ হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারী নেত্রী ড, তাসনিম জারা, সামান্থা শারমিন, মনিরা শারমিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা ও তাজনুভা জাবীনকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। যেখানে এই নারীদের কেবল এনসিপির নয় বরং আগামীর বাংলাদেশের রত্ন হিসেবে উল্লেখ্য করেছেন তিনি।

 

সোমবার দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক। যেখানে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া এই নারীদের প্রশংসা করেন তিনি। সেই সঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই নারীরা আগামীর বাংলাদেশ সংসদে নারীদের একচ্যুয়াল পার্টিসিপেশন হতে যাচ্ছেন।

সারজিসের পোস্টটি যুগান্তর পাঠকদের হুবহু তুলে ধরা হলো-

জুলাই অভ্যুত্থানের পর মাত্র কয়েক মাস হলো- আমি ড. তাসনিম জারা, সামান্থা শারমিন, মনিরা শারমিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা ও তাজনুভা জাবীন আপুদেরকে চিনি। প্রথমে জাতীয় নাগরিক কমিটির মাধ্যমে। এরপর বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র মাধ্যমে।

 

সাময়িক এই পথচলায় বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত প্রদান করতে দেখেছি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। সেই বিষয়গুলোতে তাদের কথাবার্তা, চিন্তাভাবনা, ব্যক্তিত্ব, ইন্টিগ্রিটি অবজার্ভ করে এইটুকু উপলব্ধি আমার হয়েছে যে- এই মানুষগুলো রাজনীতিতে শুধু এনসিপি’র রত্ন নয় বরং আগামীর বাংলাদেশের রত্ন।

অতীতে ‘কোটা’’ আর ‘সংরক্ষিত আসনের’ নামে পরিবারতন্ত্রের মধ্য থেকে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে সংসদে যারা আমাদের প্রতিনিধিত্ব করত, তারা ছিল নারীদের প্রেজেন্টেশন।

কিন্তু এই জারা, সামান্থারা আগামীর বাংলাদেশ সংসদে নারীদের একচ্যুয়াল পার্টিসিপেশন হতে যাচ্ছে। এনসিপিতেও তারা নিজের যোগ্যতায় সেই জায়গা অর্জন করে নিয়েছে। সংসদেও তারা নিজের যোগ্যতায় সেই জায়গা অর্জন করে নিবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তাই অতীতের রাজনীতির অপ্রত্যাশিত কালচারগুলোকে ধারণ করে আমরা যেন শুধুমাত্র বিরোধিতা করতে হবে বলে বিরোধিতা না করি, সমালোচনা করতে হবে বলে সমালোচনা না করি। বিশেষত, ব্যক্তিগত মানসিকতার প্রতিবন্ধকতাকে প্রায়োরিটি দিয়ে রাজনীতিতে যোগ্য নারীদের অংশগ্রহণে যেন প্রতিবন্ধক হয়ে না দাঁড়াই।

পোস্টের শেষ অংশে সারজিস লিখেন, আমাদের বোনেরা আমাদের শক্তি, বাংলাদেশের শক্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ