শিরোনাম
সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা একই পরিবারের ৪ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য, আটক ৩ রংপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আহত যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রংপুরে চিড়িয়াখানায় অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ২৭ তরুন-তরুনী আটক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

শেখ মুজিব ও জাতীয় ৪ নেতাসহ মুজিবনগর সরকারের সবাই মুক্তিযোদ্ধা: উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ : / ১৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় ৪ নেতার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। তিনি বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনসুর আলী, কামরুজ্জামান-তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা।

বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানিয়েছেন তিনি। উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে, তারা মুক্তিযোদ্ধা। গণমাধ্যমে মিসলিডিং হয়েছে। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।

তিনি বলেন, বিদেশে এবং দেশের অভ্যন্তরে যারা সহযোগিতা করেছেন, কাজ করেছেন, যারা সশস্ত্র ছিলেন না, তারাও মুক্তিযোদ্ধা। তারা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত হবেন। মুজিবনগর সরকারে যারা যুক্ত ছিলেন। তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি বলেন, মুজিবনগর সরকার পুরো যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। এটা ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাস পরিবর্তন করা যায় না। মুজিবনগর সরকারকে ‘সহযোগী’ বলা হয়নি। ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন

তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এই নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার যে সংজ্ঞা ছিল সেটাই তা বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ