শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

ভূমিকম্পে ক্ষতির শঙ্কা সিডিডি হাউজিং প্রকল্পে বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে বহুতল ভবন নির্মাণ

রাকিবুল হাসান পরাগ নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫


রংপুর মহানগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়াটারী এলাকায় বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশের দুর্বল মাচায় কাজ করার সময় রবিউল (৪৫) নামে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু -এই অনিয়মকে নতুন করে সামনে এনেছে। নিহত রবিউল বড়বাড়ি এলাকার মনোয়ার মিয়ার ছেলে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা যায়, সিডিডি হাউজিং প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন প্রায় অর্ধশতাধিক ভবনে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র স্পষ্ট। বেশিরভাগ ভবনই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি হচ্ছে এবং ছাদ ঢালাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও করা হচ্ছে বাঁশের ভঙ্গুর মাচার ওপর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাঁচতলা ভবনে কাজ করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান শ্রমিক রবিউল। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনার পর ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে লুমেন বিল্ডার্স কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
তবে স্থানীয়রা মনে করেন, এই ‘মীমাংসা’ ভবনগুলোর ঝুঁকি কমাতে কোনো ভূমিকা রাখেনি। তাদের দাবি, এখনো ওই সব নির্মাণাধীন ভবন ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তবে যে’ কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
এদিকে ভূমিকম্পে বাড়ছে জনমনে ক্ষতির আশঙ্কা,সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় নগরবাসীর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের ভাষ্য, দেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে, আর এ অবস্থায় বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে দুর্বল কাঠামোর ভবন নির্মাণ নগরবাসীর জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। তাদের মতে, লুমেন বিলডাস, কম্বিনেশন বিলডাস, দরবার প্রোপার্টিজ ও টুইলাইট বিল্ডার্স মমতা প্রোপার্টিজ,নবটেক,আর এ ডিএল বিল্ডাসসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার ও বাঁশের মাচা দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ সমালিচিত । এছাড়া কৃষিজমি কম দামে কিনে সেখানে অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ করায় পরিবেশ ও নগর পরিকল্পনাও মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে বলে বিশিষ্টজনদের অভিযোগ।
কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, ভবন নির্মাণের প্রতিটি ধাপে সরকারি তদারকি থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তারা বলেন, অডিট, ডিজাইন অ্যাপ্রুভাল ও তদারকি সঠিকভাবে করা হলে কোনোভাবেই এ ধরনের মাচায় কাজ করার সুযোগ থাকতো না।
এ অবস্থায় তারা নির্মাণাধীন সব ভবনের নিরাপত্তা যাচাই, বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে রংপুর মহানগরীতে এক সময় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
এবিষয়ে সিটি কর্পোরেশন এর প্রধান প্রকৌশলী আযম আলীর তেমন কোন ভুমিকা নেই, তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে নকসা অনুমোদন দেয়ার পর আমরা সিভিল ইন্জিনিয়ার দিয়ে বাড়ির কাজ করার পরামর্শ দেই, এরপরেও তারা লোকাল মিস্ত্রী দিয়ে কাজ করে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে বিল্ডিং কোড আইন অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণে আইনগত ব্যবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান।

রাকিবুল হাসান পরাগ নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুর মহানগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়াটারী এলাকায় বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাঁশের দুর্বল মাচায় কাজ করার সময় রবিউল (৪৫) নামে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু -এই অনিয়মকে নতুন করে সামনে এনেছে। নিহত রবিউল বড়বাড়ি এলাকার মনোয়ার মিয়ার ছেলে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা যায়, সিডিডি হাউজিং প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন প্রায় অর্ধশতাধিক ভবনে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র স্পষ্ট। বেশিরভাগ ভবনই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি হচ্ছে এবং ছাদ ঢালাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও করা হচ্ছে বাঁশের ভঙ্গুর মাচার ওপর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাঁচতলা ভবনে কাজ করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান শ্রমিক রবিউল। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনার পর ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে লুমেন বিল্ডার্স কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
তবে স্থানীয়রা মনে করেন, এই ‘মীমাংসা’ ভবনগুলোর ঝুঁকি কমাতে কোনো ভূমিকা রাখেনি। তাদের দাবি, এখনো ওই সব নির্মাণাধীন ভবন ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তবে যে’ কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
এদিকে ভূমিকম্পে বাড়ছে জনমনে ক্ষতির আশঙ্কা,সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় নগরবাসীর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের ভাষ্য, দেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে, আর এ অবস্থায় বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে দুর্বল কাঠামোর ভবন নির্মাণ নগরবাসীর জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। তাদের মতে, লুমেন বিলডাস, কম্বিনেশন বিলডাস, দরবার প্রোপার্টিজ ও টুইলাইট বিল্ডার্স মমতা প্রোপার্টিজ,নবটেক,আর এ ডিএল বিল্ডাসসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার ও বাঁশের মাচা দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ সমালিচিত । এছাড়া কৃষিজমি কম দামে কিনে সেখানে অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ করায় পরিবেশ ও নগর পরিকল্পনাও মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে বলে বিশিষ্টজনদের অভিযোগ।
কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, ভবন নির্মাণের প্রতিটি ধাপে সরকারি তদারকি থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তারা বলেন, অডিট, ডিজাইন অ্যাপ্রুভাল ও তদারকি সঠিকভাবে করা হলে কোনোভাবেই এ ধরনের মাচায় কাজ করার সুযোগ থাকতো না।
এ অবস্থায় তারা নির্মাণাধীন সব ভবনের নিরাপত্তা যাচাই, বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে রংপুর মহানগরীতে এক সময় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
এবিষয়ে সিটি কর্পোরেশন এর প্রধান প্রকৌশলী আযম আলীর তেমন কোন ভুমিকা নেই, তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে নকসা অনুমোদন দেয়ার পর আমরা সিভিল ইন্জিনিয়ার দিয়ে বাড়ির কাজ করার পরামর্শ দেই, এরপরেও তারা লোকাল মিস্ত্রী দিয়ে কাজ করে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে বিল্ডিং কোড আইন অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণে আইনগত ব্যবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ