শিরোনাম
মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা একই পরিবারের ৪ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য, আটক ৩ রংপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আহত যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রংপুরে চিড়িয়াখানায় অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ২৭ তরুন-তরুনী আটক
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন

বিদেশি শনাক্ত হলেই আসাম থেকে পুশ ইন করা হবে বাংলাদেশে: হিমান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫

ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা আসামের আইনসভায় ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে এ রাজ্যে যাকেই বিদেশি হিসেবে শনাক্ত করা হবে তাকে বাংলাদেশে পুশ ইন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনো আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না। রাজ্যের ডিসিরাই এটি করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে ১৯৫০ সালের একটি আইন ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে এই ক্ষমতা দিয়েছে।

ডিসিদের সিদ্ধান্ত ছাড়াও আসামের ফরেনার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যাদের বিদেশি হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে তাদেরও বাংলাদেশে পুশ ইন করা হবে। গত কয়েক সপ্তাহে ফরেনার ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আদেশের পর প্রায় ৩৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করা হয়েছে।

সোমবার (৯ জুন) রাজ্যের আইনসভায় আসামের মুখ্যমন্ত্রী ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি রায়ের বিষয়টি উত্থাপন করেন। যেখানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রায় দেন, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর যারা আসামে এসেছেন তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না। ওই সময় আদালত আরও রায় দেন, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর যারা আসামে প্রবেশ করেছেন তাদের কোনোভাবে ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে।

হিমান্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, আদালত রায় দেন ১৯৫০ সালের পুশ ইন আইনও বৈধ। অর্থাৎ ডিসিরা চাইলে যে কাউকে পুশ ইন করতে পারবেন। এজন্য আইনি প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ