গত নভেম্বরে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যে শুরু করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর নয়। আমাকেও শুনতে হয়– উনি কি আমাদের লোক? ধারাবাহিক এটা চলে এসেছে।’
আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল–‘বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়। প্রথম আলো ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কল্যাণ সমিতি যৌথভাবে আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বাহারুল আলম আরও বলেন, গত এক বছরে যেটা মনে হয়েছে, পুলিশের ও জনমানুষের যে অভিজ্ঞতা– কতটুকু ঘৃণা সঞ্চার হলে পুলিশ তার স্টেশন থেকে পালাতে হয়। গত দেড়শ’ বছরে যেটা হয়নি। গত ১৫ বছরে আমরা কীভাবে ব্যবহার হয়েছি, আমরা এর আত্ম অনুসন্ধান করি। যারা পরিচালনা করেন, রাজনৈতিক দল তারা এর থেকে বেরিয়ে যাবেন।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, কার্যকর স্বাধীনতা আমাকে দেন। মামলা তদন্ত ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে আমার কাছে যে কোনো নির্দেশনা যেন না আসে। কীভাবে পুলিশ পরিচালিত হবে তা বইতে লেখা আছে। আমাকে ওই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। আইনের শাসন অনুযায়ী কাজ করতে দেন। ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৩ ধারাতে পুলিশের ওপর সরকারের অসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এটা কাটছাট করতে হবে। নতুন পুলিশ আইনও হোক। সুখের কথা হলো– অন্তর্বর্তী সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।