শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

নীলফামারীতে কারেন্ট পোকার দাপট, কৃষকের হতাশা — পরামর্শ দিলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেই!

নীলফামারী প্রতিনিধি / ২১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

নীলফামারীসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে ধানে কারেন্ট পোকার ভয়াবহ আক্রমণ চলছে। মাঠজুড়ে ধানগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, ফলন নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে ডোমার উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে এসে শুধু পরামর্শ দিয়ে চলে যান, কিন্তু বাস্তবে সেই পরামর্শ অনুযায়ী বাজার থেকে যে কীটনাশক কেনা হয়, তা কোনো কাজই করছে না। ফলে কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়।

ডোমারের কৃষক আব্দুল জলিল বলেন –

কৃষি অফিসের লোকজন এসে বলে দেয় কোন কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। আমরা বাজার থেকে এনে স্প্রে করি, কিন্তু কোনো ফল হয় না। টাকা খরচ হচ্ছে, ধান বাঁচছে না।”

কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে অনেক কোম্পানির কীটনাশক প্যাকেটের দামের অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে। পণ্যের গায়ে লেখা থাকে ৩০০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। এতে পণ্যের মান ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনেকেই বলছেন, এভাবে নিম্নমানের বা মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক বাজারে বিক্রি হওয়ায় শুধু ফসলই নয়, মাটির উর্বরতাও নষ্ট হচ্ছে। তবু এই বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তারা বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে,

“কীটনাশকের গুণমান নিশ্চিত না করলে শুধু কারেন্ট পোকার দমন নয়, ভবিষ্যতের ফসলও ঝুঁকিতে পড়বে। তদারকি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।”

কৃষকদের দাবি —

কীটনাশকের মান পরীক্ষার জন্য সরকারি ল্যাব টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হোক।

ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রিতে জড়িত কোম্পানি ও ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মাঠ পর্যায়ে কারেন্ট পোকার দমন কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হোক।

“কৃষি কর্মকর্তারা পরামর্শ দেন, কিন্তু যদি সেই ওষুধই কাজ না করে, তাহলে আমরা কৃষকরা যাব কোথায়।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ