শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

জুলাই শহিদ পরিবারকে দেওয়া চাকরি কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না: উপদেষ্টা নাহিদ

ডেস্ক নিউজ / ২৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদের পরিবারকে এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটা চাকরিতে কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি জানান, জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে।

চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না।

নাহিদ ইসলাম লিখেন, আহতদের ক্ষেত্রে যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানি) এবং আর কখনো কর্মক্ষম হতে পারবে না তাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এরকম আহতদের একটা বড় অংশই তরুণ এবং বাকি জীবন তাদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

তিনি লিখেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিল এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাদের এ ক্ষতি আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারব না।

আর এ পরিবারগুলো যেকোনো সুযোগ-সুবিধার চেয়ে কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ