শিরোনাম
সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা একই পরিবারের ৪ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য, আটক ৩ রংপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আহত যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রংপুরে চিড়িয়াখানায় অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ২৭ তরুন-তরুনী আটক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সম্মিলিত নেতৃত্বের ফসল : রাফে সালমান

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না। এটা ছিল কালেক্টিভ নেতৃত্বের ফসল বলে মন্তব্য করেছেন ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত।

শনিবার (২৪ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না। এটা ছিল কালেক্টিভ নেতৃত্বের ফসল। সাদিক কায়েম, নাহিদ, মাহফুজ, জুনায়েদ ভাই- কেউ কারোর ইমাম ছিল না। এখানে কোনো একক ইমাম নেই। নেই কোনো একক মাস্টারমাইন্ড।

শহীদ-আহতদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। একইসাথে এটা ছিল খুনি হাসিনার নিজের হাতের কামাই। ফ্যাসিস্ট, খুনী হাসিনার বিগত ১৬ বছরের যাবতীয় গুম, খুন, জুলুম, নির্যাতন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত ঐক্যমত্যের ফলাফল।

৫ আগস্টের পর নানা প্রকারে একপাক্ষিক বা একক ইমাম/নেতৃত্ব আরোপের প্রচেষ্টাতেই অনৈক্য, অবিশ্বাস আর বিভেদ জন্ম নিয়েছে।

ড. ইউনুস শুরু থেকে আজ পর্যন্ত গোটা ছাত্র-জনতাকে দেখেছেন মাহফুজ-নাহিদদের লেন্স দিয়ে। ফলে ঐটা হয়েছে কালেক্টিভ নেতৃত্বের ছোট্ট একটা অংশের লেন্স। গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লেন্স।

কালেক্টিভ নেতৃত্বের বাকিরা তথা সাদিক কায়েম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আলী আহসান জুনায়েদ, সিবগাতুল্লাহ বা ছাত্রদলের রাকিব-নাসিরদের লেন্স সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা এখনও অন্ধকারে।

উত্তাল সেই আন্দোলনের মুহুর্তে সমন্বয়টা কীভাবে হয়েছিলো, কার ভূমিকা কী ছিল সেগুলোর প্রকৃত চিত্র ড. ইউনুস কখনও এই মানুষগুলোর মুখ থেকে শোনেন নাই। ছাত্রদের সম্মিলিত শক্তির সঙ্গে উনি কখনও বসেন নাই।

ফলে ছাত্র-নেতৃত্বের আজকের অনৈক্যের গোড়া সম্পর্কে উনি অনবগত। উনি যদি একবার সবার সাথে বসতেন তবে বোধ করি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারী ছাত্রদের সমন্বয়হীনতার এতটা প্রকট সংকট এত দ্রুত তৈরি হতো না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ