শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের তদন্তে অনাস্থা, বেরোবিতে সংবাদ সম্মেলন

বেরোবি প্রতিনিধি / ২৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫

শহীদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম নিয়ে চরম উদ্বেগ ও অনাস্থা প্রকাশ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা।

‎আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৫টায় শহিদ আবু সাঈদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই যৌক্তিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে পুলিশ বর্বরভাবে গুলি চালায়, যাতে আমাদের সহযোদ্ধা আবু সাঈদ শহীদ হন এবং শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এই নিষ্ঠুর হামলার চিত্র সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে।”

‎তারা জানান, সরকারের পতনের প্রেক্ষিতে শহীদ আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী বাদী হয়ে এবং আন্দোলনের সহযোদ্ধারা সাক্ষী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), পরে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়।

‎তবে তদন্ত চলাকালীন সময় থেকেই শিক্ষার্থীরা লক্ষ্য করছেন, ট্রাইব্যুনালের সংবাদ সম্মেলনগুলোতে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের দায়মুক্তি নিশ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

‎আজকের প্রতিবেদনে ৩০ জন ব্যক্তির সম্পৃক্ততার কথা বলা হলেও পুলিশের নাম উল্লেখ না করে বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে “প্রশাসনিক অবহেলার” অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা একে ‘প্রক্রিয়াগত বিচ্যুতি ও বিচারপ্রক্রিয়ার প্রহসন’ বলে আখ্যায়িত করেন।

‎তারা আরও অভিযোগ করেন, ২৩ জুন নির্ধারিত গণশুনানি ছাড়া হঠাৎ করেই ট্রাইব্যুনালের একটি টিম রংপুর না এসে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তড়িঘড়ি প্রক্রিয়া শুরু করে, যা স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।

‎সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যারা গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। নয়তো এই বিচার জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।”

‎তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মানবাধিকার সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিও আহ্বান জানান যেন এই বিচারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ