ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দীর্ঘদিন নীরব ছিল দলটির নেতাকর্মীরা। তবে সম্প্রতি তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল শুরু করেছে। এসব মিছিলে বেশ
জামায়াতে ইসলামী যদি কাউকে শত্রু চিহ্নিত করে, তবে তাকে যেভাবে অ্যাটাক করবে তা বাংলাদেশের অন্য কোনো পার্টি করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি
নেপালের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো ছেড়ে দিয়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে সেখানে স্টুডেন্টরা পলিটিক্যাল পার্টি করতে যায়নি। ছাত্ররা দল না করলে অভ্যুত্থানের চেতনা নষ্ট হয়ে যাবে এমন বয়ান উঠেনি।
কেউ কেউ আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে মিশে তাদের সম্পত্তি-ব্যবসার ভাগ বিদেশে পাঠাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। তিনি এসব ব্যক্তিদের সতর্ক করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো দিন ফিরে এলে
জামায়াত-শিবিরের সততা প্রসঙ্গে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, যারা দেশই চায়নি তাদের আবার সততা কী? সম্প্রতি একটি বেসরকারি চ্যানেলের টক শোতে হাজির হয়ে এমন মন্তব্য করেন দুদু। টক শোতে
যত দিন যাচ্ছে দেশের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। বিনিয়োগ কমছে, মব বাড়ছে। মেধাবীরাও দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে উদগ্রিব। অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্বরতরা দায়িত্ব পালনের বদলে হঠাৎ পাওয়া ক্ষমতা উপভোগ করছে। দেশকে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, গত ১৬ বছর ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারেনি, হলে থাকতে পারেনি; তাদের নাম শুনলেই বের করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিবির নিজের রাজনৈতিক, আদর্শিক পরিচয় গোপন করে