শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

রংপুরের পীরগাছায় বাল্যবিয়ের আসরে ম্যাজিস্ট্রেটের হানা:ছেলের বাবাকে কারাদণ্ড,মেয়ের বাবাকে অর্থদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট / ২০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫

এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে ও এইচএসসি প্রথম বর্ষের মেয়ের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করছিলেন বরপক্ষ ও মেয়েপক্ষের লোকজন। হঠাৎ করেই সেই আসরে হাজির হন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

পরে আদালত বসিয়ে ছেলের বাবাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মেয়ের বাবাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৬ মে) বিকেলে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার মনুরছড়া গ্রামে।

জানা যায়, মনুরছড়া গ্রামের এক ১৬ বছর বয়সী এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলের সঙ্গে অনন্তরাম গ্রামের ১৬ বছর বয়সী এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রীর বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল। বিষয়টি গোপন সংবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হক সুমনের কাছে পৌঁছালে, তিনি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বরের বাবাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মেয়ের বাবাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে মেয়ের বাবা জরিমানার টাকা প্রদান করলে মেয়েটিকে তার বাবার হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়।

পীরগাছা থানার এসআই নূর আলম জানান, অভিযুক্ত ছেলের পিতাকে রংপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ভিকটিম মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে তার বাবার জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হক সুমন বলেন, গত প্রায় ২০ দিন ধরে মেয়েটিকে বাড়িতে রেখে বাল্যবিবাহের চেষ্টা করা হচ্ছিল। ছেলে ও মেয়ে দুইজনই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে এবং দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ