শিরোনাম
ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে রংপুরে পৃথক পৃথক কর্মসূচী পালন রংপুরে ক্লুলেস হত্যা মামলার প্রধান আসামী সবুজ গ্রেফতার রাজধানীতে শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন-সমাবেশ রংপুর নগরীতে টিসিবি উপকারভোগীদের মাঝে স্মার্ট কার্ড বিতরণ রংপুরে দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ কারবারী গ্রেফতার রংপুরে আলোচিত গণধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার রংপুর র‌্যাবের অভিযানে বিষ্ণুমূর্তিসহ চোরাচালানকারীর দুই সদস্য গ্রেফতার রংপুরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় টিসিএ মিডিয়াকাপ-২০২৬ শুরু
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

শীত ও ঘন-কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বীজতলা; দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

রিফাতুন্নবী রিফাত,গাইবান্ধাঃ / ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

উত্তরের জেলা গাইবান্ধা। এ জেলায় পৌষের শেষের দিকে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে। আর শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা হলদে হয়ে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করেও কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। ফলে বোরো চারার উৎপাদন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

গাইবান্ধা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিমাণ জমিতে চারা রোপণের জন্য ৬ হাজার ৮১২ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বীজতলা রয়েছে।

কৃষি অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, বোরো মৌসুমে এলাকার কৃষকেরা ধানের বীজতলা তৈরি করেন। হঠাৎ তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলার চারা কিছুটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যাতে বীজতলা নষ্ট না হয় সেজন্য তারা কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানা তারা।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায়, তীব্র শীতের কারণে বীজতলাগুলো সাদা রং ধারণ করেছে। কোথাও কোথাও বীজের গোড়ায় পচন দেখা দিয়েছে। আবার কোথাও কোথাও নষ্টও হয়েছে। পাশাপাশি বীজতলা পরিচর্যায় চাষিদের ব্যস্ত দেখা গেছে। তারা কেউ গরম পানি দিচ্ছেন। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন কেউ। কেউ আবার ওষুধও ছিটাচ্ছেন। কৃষকরা বীজতলা রক্ষায় সবধরনের প্রচেষ্টাই চালাচ্ছেন।

কথা হয় সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মাঠেরপাড় এলাকার কৃষক নওশা মিয়ার (৬৫) সঙ্গে। তিনি জানান, ‘আমি ৩বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করার জন্য বেচন (বীজতলা) পারছিলাম, কিন্তু তীব্র শীত আর ঘন কুশায়ার কারণে বোরো ধানের অধিকাংশ বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মনে তো আর হচ্ছে না যে বেচন (বীজতলা) দিয়ে জমি রোপন করা যাবে। আবার মনে হয় বেচন (বীজতলা) তৈরি করতে হবে। এরকম আবহাওয়ায় হবে সেজন্য কৃষি বিভাগ থেকেও আগাম কোনো পরামর্শ দেয়া হয়নি। দিলে তো আর এমন হতো না।’

আরেক কৃষক নাজমুল ইসলাম (৩০)বলেন, ‘কুয়াশায় অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চারাগুলো বাঁচাতে বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করেও কোনো সুফল মিলছে না। এই সংকটে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদেরও মাঠে দেখা যাচ্ছে না। ফলে বোরো চাষ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।’

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলগুলোতে কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা এবং পরিমাণমতো সার ও পানি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ