শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বেরোবিতে সংঘর্ষ, ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর / ১৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও মারামারি’কে কেন্দ্র করে ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে এমন তথ্য নিশ্চিত করেন বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

উল্লেখ্য যে, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তারা সবাই মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন:

সাফায়েত শুভ (১৬তম ব্যাচ)

শাহরিয়ার অপু

সজিব (১৬তম ব্যাচ)

সৌরভ (১৬তম ব্যাচ)

নাজমুজ সাকিব (১৬তম ব্যাচ)

রোহান সরকার রোহান (১৬তম ব্যাচ)

জিহাদ (১৬তম ব্যাচ)

আশরাফুল (১৪তম ব্যাচ)

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় ঘটনার সূত্রপাত হয়। ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মার্কেটিং, পরিসংখ্যান ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।‌ এসময় রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ক্ষিপ্ত হয়ে পরিসংখ্যান ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শ্রেণিকক্ষ ভাঙচুর করে। মারামারি, সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনায় আহত হন অন্তত ১০ শিক্ষার্থী।

পরে রাত ১১টা নাগাদ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জরুরি শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে উপাচার্য বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি জিরো টলারেন্স। এই সব বিষয় আর অধিকতর আইডেন্টিফাই করার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট কোনো সেমিস্টারের জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে কিনা সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বহিষ্কার মানে বহিষ্কার, কোনো সেমিস্টার নেই এখানে। বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্ক মুক্ত করার জন্য এ সব কীটকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ