ইসরায়েলের প্রাণঘাতী বিমান হামলার পর কাতারের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক প্রধান মেজর জেনারেল আব্দোররাহিম মুসাভি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শত্রুর মুখোমুখি হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কখনোই কাতারি ভাইদের একা ফেলবে না।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) কাতারের প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাউদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপে মুসাভি ইসরায়েলের দোহায় বিমান হামলাকে “অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, “ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কাতারের ভাইদের সমর্থনে কখনো দ্বিধা করবে না। দুই জাতির বন্ধন সবসময় ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।”
ইরানি জেনারেল আরও জানান, বিশেষ করে *“অপরাধী জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা”*ই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার মূল উৎস, আর এর বিরুদ্ধে কাতারকে কখনো একা রাখা হবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের নিঃশর্ত সমর্থনকেই ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করেন।
মুসাভি বলেন, “সর্বশেষ কাতারে ইসরায়েলের হামলা ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত ছাড়া সম্ভব ছিল না। গোটা বিশ্ব জানে, পশ্চিমাদের সমর্থন ছাড়া অপরাধী ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা টিকেই থাকতে পারত না।”
এ সময় কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আল থানি হামলাকে “সন্ত্রাসবাদী কর্ম” আখ্যা দিয়ে ইরানের সংহতির জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ইসরায়েল সব নীতি-নৈতিকতা উপেক্ষা করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনীতির লঙ্ঘন।
কাতারি মন্ত্রী ইরানের পূর্ববর্তী অবস্থান ও সাম্প্রতিক সহায়তার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে তেহরান-দোহা বৈঠকের আশা ব্যক্ত করেন, যেখানে আঞ্চলিক আগ্রাসন ঠেকাতে কার্যকর সমাধান খোঁজা হবে।