শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

৭ সন্তানের মাকে ধর্ষণ, বিয়ে করতে বললে মারধর

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সাত মেয়ের মাকে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পরপরই প্রধান আসামির বাবা রোকন মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের ছিলিমপুর গ্রামের রোকন মিয়ার ছেলে একরামুল হক (২৫) নওপাড়া ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার ওই নারীর সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্রে পরিচিত হন। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে একরামুল হক ওই নারীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে অভিযুক্ত একরামুল তার আত্মীয়ের বৈঠক ঘরে ওই নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে একরামুল ওই নারীকে কেন্দুয়া সিএনজি স্ট্যান্ডে আসতে বলেন। সেখানে উপস্থিত হলে একরামুল রিকশাযোগে তাকে ছিলিমপুর গ্রামের আওয়াল খানের বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে ফের ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী বিয়ের দাবি করলে একরামুল তাকে মারধর করেন।

এসময় তার চিৎকার শুনে একরামুলের বাবা রোকন মিয়াও সেখানে গিয়ে ভুক্তভোগীকে বেদম প্রহার করেন। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করেন।

উক্ত ঘটনায় নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় একরামুল হককে। অন্য আসামিরা হলেন, তার বাবা রোকন মিয়া (৫০) ও একই গ্রামের রুহুল আমিন (৪০)।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী নারী ৭ সন্তানের জননী। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রোকন মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ