শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

কালীগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ শিল্প, অন্য পেশায় ঝুঁকছেন কারিগররা

কায়সারুল আলম সোহাগ, কালীগঞ্জ(লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ / ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ-নির্ভর কুটির শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। বাঁশের মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামালের সঙ্কট, আধুনিক বিকল্প সামগ্রীর প্রসার এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা মিলিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে এই শিল্প। ফলে পূর্বপুরুষের পেশা ধরে রাখতে না পেরে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন পেশা পরিবর্তনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক সময় উপজেলার বহু পরিবার বাঁশ ও বেত দিয়ে গৃহস্থলির নানান প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কুলা, ডালি, ঠালা, চালনি, চাঁটাই, ডোল, ঝাঁপি, ঝাড়ুসহ কৃষি ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত এসব পণ্য স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে স্বচ্ছলভাবে চলতো সংসার।

তবে বর্তমানে এসব পণ্যের চাহিদা কমে গেছে। প্লাস্টিক ও আধুনিক সামগ্রীর সহজলভ্যতায় বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র তেমন একটা বিক্রি হচ্ছে না। অন্যদিকে, একটি বাঁশের দাম এখন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত, কিন্তু দুদিন খেটে বানানো পণ্য বিক্রি করে সেই খরচই উঠে আসে না। এতে পণ্যের উৎপাদন খরচ ও বিক্রয় মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য থাকে না—ফলে লোকসানে পড়ছেন কারিগররা।

ধান কাটার মৌসুমে আগে এসব পণ্যের চাহিদা থাকলেও এবার সেই চাহিদাও তুলনামূলকভাবে কম। ধানের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে কুটির শিল্পের ওপরও।

স্থানীয় কারিগরদের দাবি, সরকার বা বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে অনুদান, প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে এখনো এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। নইলে অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে এই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিল্প।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ