শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন

সম্ভাব্য তিন উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেছেন খামেনি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে ক্রমবর্ধমান ইসরায়েলি আক্রমণের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তার জীবন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্ব কাঠামো উভয়কেই রক্ষা করার জন্য ‘একটি অসাধারণ ধারাবাহিক পদক্ষেপ’ নিয়েছেন। শনিবার (২১ জুন) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি তার মৃত্যুর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিন জন সিনিয়র ধর্মীয় নেতার নাম জানিয়েছেন।

জরুরি যুদ্ধ পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত তিন জন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি ইলেকট্রনিক যোগাযোগ স্থগিত করেছেন এবং সনাক্তকরণ এড়াতে একজন ‘বিশ্বস্ত সহকারীর’ মাধ্যমে কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বলছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা এখন একটি ‘বাঙ্কারে’ সময় কাটাচ্ছেন। তাকে হত্যা করার জন্য ইসরায়েলি হুমকির মধ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের উদ্ধৃত করা কর্মকর্তাদের ভাষ্য, খামেনি বিশ্বাস করেন যে, ইসরায়েল অথবা আমেরিকা তাকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

প্রতিবেদনে ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে, খামেনির পুত্র মোজতবা, যিনি একসময় গুঞ্জনে এসেছিলেন, উত্তরসূরিদের মধ্যে তার নাম নেই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সামরিক কমান্ডারদের ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য আসেনি বলে জানানো হয়।

১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বিমান হামলা শুরু করলে শত্রুতা শুরু হয়। এর ফলে তেহরান প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তখন থেকে কমপক্ষে ২৫ জন নিহত এবং শত শত আহত হয়েছে।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ৪৩০ জন নিহত এবং ৩,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ