শিরোনাম
রংপুরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় টিসিএ মিডিয়াকাপ-২০২৬ শুরু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | |Katha24.com || Katha Media বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদে আজ পাস হলো ২৪টি বিল, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নারী সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন … রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডন রংপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, বৃদ্ধ ও কিশোরীসহ আহত অনেকে মিঠাপুকুরে বসতভিটায় হামলা: গাছ কেটে লাখ টাকার ক্ষতি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রংপুরে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা নিয়ে যা জানা গেল!

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর / ২০৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

রংপুরের কমিউনিটি (ডক্টরস) হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের নাম মকসেদ আলী (৫০)। তিনি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বমুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য।

পরিবার অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলা ও দালাল চক্রের প্রতারণায় মকসেদ আলীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হলে বুধবার রাতে মকসেদ আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসক তার এনজিওগ্রাম করেন। এ সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে ভুল বুঝিয়ে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করিয়ে দ্রুত রিং পরানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। অপারেশন চলাকালীন অবস্থায়ই মকসেদ মারা যান বলে পরিবারের দাবি। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন রিং পড়ানোর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রোগী।

রোগীর স্বজনদের ফেসবুক লাইভে অভিযোগ, রোগী মৃত্যুর পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃতদেহ আইসিইউতে জীবিত হিসেবে প্রদর্শনের চেষ্টা করে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বজনরা জোরপূর্বক আইসিইউতে প্রবেশ করলে মকসেদকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে সম্প্রচার করা হলে হাসপাতালের কর্মচারী ও তাদের সহযোগীরা স্বজন ও উপস্থিতদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে কারমাইকেল কলেজ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান তারাই আমাদের ধাক্কা দিয়েছিল।

মৃতের ছেলে শাফিউল ইসলাম বলেন, ‘অপারেশন রুমে শুধু বাবার ‘আ আ’ শব্দ শুনছিলাম। পরে যখন আইসিইউতে নেওয়া হয়, বাবা কোনো নড়াচড়া করেননি। আমরা বুঝে গেছি তখনই বাবা মারা গেছেন। কিন্তু হাসপাতাল তা গোপন করে।’

নিহতের শ্যালক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আইসিইউতে ঢুকে দেখি আমার দুলাভাই অনেক আগেই মারা গেছেন। আমি ফেসবুকে লাইভে গেলে হাসপাতালের পেটোয়া বাহিনী আমার ওপর চড়াও হয়।’

হাসপাতালের পরিচালক মেরাজ মহসিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ভাবেই জড়িত নয়। রোগী নিজেই পরামর্শ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। আমরা কেবল অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলাম। রোগীর অবস্থা খারাপ হলে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন থেকে মারা যান। পরে স্বজনরা জোর করে প্রবেশ করে ফেসবুকে লাইভে যান।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের আরেক পরিচালক আরো জানান চিকিৎসা ভুল হলে তদন্ত হবে। মব তৈরি হবে কেন..? হাসপাতালে ১লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা বিল করে মাত্র ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে তারা। বিল দেবার আগ মুহূর্তে পরিকল্পিত ভাবে এমন করেছে। মিথ্যা অপপ্রচার করেছে।

ঘটনার পর রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে, নিজেদের এই ঘটনার ব্যখ্যা দেন।

সচেতন রংপুরবাসী- মৃতের স্বজনরা দ্রুত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ