মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী দলগুলোর জন্য নিবন্ধন শর্ত শিথিল করেছে জান্তা সরকার। এবার অর্ধেক নয়, মাত্র এক-চতুর্থাংশ আসনে প্রার্থী দিলেই দলগুলো নিবন্ধনে টিকে থাকতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এরমধ্যেও দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রয়েছে।
প্রায় প্রতিদিনই নিয়ম করে মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী। চলতি সপ্তাহে সাগাইং অঞ্চলের কানবালু উপ-শহরের কিয় সু গ্রামে দু’টি বোমা নিক্ষেপ করে তারা। এতে হতাহত হন বেশ কয়েকজন।
বোমা দু’টি সরাসরি আঘাত করে গ্রামটির স্কুল ও মঠে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বহু বাস্তুচ্যুত পরিবার। বাসিন্দারা জানান, হামলার সময় কোনো ধরনের সংঘর্ষ চলছিল না। তবুও সামরিক বাহিনী নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে।
এরই জেরে মিয়ানমার জান্তা সেনাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক অস্ত্র ও জ্বালানি নিষেধাজ্ঞার দাবি তুলেছে বার্মা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক। বোমা দু’টি সরাসরি আঘাত করে গ্রামটির স্কুল ও মঠে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বহু বাস্তুচ্যুত পরিবার। বাসিন্দারা জানান, হামলার সময় কোনো ধরনের সংঘর্ষ চলছিল না। তবুও সামরিক বাহিনী নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে।
এরই জেরে মিয়ানমার জান্তা সেনাদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক অস্ত্র ও জ্বালানি নিষেধাজ্ঞার দাবি তুলেছে বার্মা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক।
–