শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন

মাসখানেক পর মুরগির মাংস দেখে গাজার শিশুদের চোখে জল, মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

“মুরগি! এটা সত্যিই মুরগি!”—এই চিৎকারে কোনো বিস্ময়কর আবিষ্কারের আনন্দ ছিল না, ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক টুকরো স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আকুতি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অনাহারক্লিষ্ট একদল ফিলিস্তিনি শিশুর কাছে महीनों পর দেখা এক টুকরো মুরগির মাংস ছিল যেন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার সামিল।

ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিপর্যস্ত গাজায় তীব্র খাদ্য সংকট এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা। বোমার শব্দ আর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিশুরা ভুলে যেতে বসেছে সাধারণ খাবারের স্বাদ। চকলেট, আইসক্রিম তো দূরের কথা, এক টুকরো মাংসও তাদের কাছে এখন স্বপ্নের মতো। এই কঠিন বাস্তবতায়, দীর্ঘ সময় পর রান্না করা মুরগির মাংস দেখে তাদের উল্লাস আর বিস্ময় মেশানো চিৎকার যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আকাশ-বাতাসকে একটু হলেও ভারী করে তোলে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধ এবং সংঘাতের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে হাজার হাজার শিশু। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে প্রতি তিনটি শিশুর মধ্যে একটি তীব্র অপুষ্টির শিকার। এমন পরিস্থিতিতে, এক বেলার জন্য পাওয়া পছন্দের খাবার তাদের কাছে কেবল ক্ষুধা নিবারণের উপায় নয়, বরং এটি এক ঝলক আশার আলো, যা তাদের মনে করিয়ে দেয় যে যুদ্ধের বাইরেও একটি সুন্দর জীবন ছিল।

শিশুদের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া একদিকে যেমন তাদের নিষ্পাপ শৈশবের পরিচয় দেয়, তেমনই অন্যদিকে যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। যেখানে একটি শিশুর সামান্য আবদার মেটানোই কঠিন, সেখানে এক টুকরো মাংস হয়ে উঠেছে অমূল্য সম্পদ। এই এক টুকরো মুরগি হয়তো তাদের সাময়িক আনন্দ দিয়েছে, কিন্তু রেখে গেছে এক গভীর প্রশ্ন—কবে থামবে এই ধ্বংসলীলা আর কবে গাজার শিশুরা ফিরে পাবে তাদের কেড়ে নেওয়া শৈশব?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ