শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন

মাসখানেক পর মুরগির মাংস দেখে গাজার শিশুদের চোখে জল, মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

“মুরগি! এটা সত্যিই মুরগি!”—এই চিৎকারে কোনো বিস্ময়কর আবিষ্কারের আনন্দ ছিল না, ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এক টুকরো স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আকুতি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অনাহারক্লিষ্ট একদল ফিলিস্তিনি শিশুর কাছে महीनों পর দেখা এক টুকরো মুরগির মাংস ছিল যেন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার সামিল।

ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিপর্যস্ত গাজায় তীব্র খাদ্য সংকট এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা। বোমার শব্দ আর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিশুরা ভুলে যেতে বসেছে সাধারণ খাবারের স্বাদ। চকলেট, আইসক্রিম তো দূরের কথা, এক টুকরো মাংসও তাদের কাছে এখন স্বপ্নের মতো। এই কঠিন বাস্তবতায়, দীর্ঘ সময় পর রান্না করা মুরগির মাংস দেখে তাদের উল্লাস আর বিস্ময় মেশানো চিৎকার যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আকাশ-বাতাসকে একটু হলেও ভারী করে তোলে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধ এবং সংঘাতের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে হাজার হাজার শিশু। জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে প্রতি তিনটি শিশুর মধ্যে একটি তীব্র অপুষ্টির শিকার। এমন পরিস্থিতিতে, এক বেলার জন্য পাওয়া পছন্দের খাবার তাদের কাছে কেবল ক্ষুধা নিবারণের উপায় নয়, বরং এটি এক ঝলক আশার আলো, যা তাদের মনে করিয়ে দেয় যে যুদ্ধের বাইরেও একটি সুন্দর জীবন ছিল।

শিশুদের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া একদিকে যেমন তাদের নিষ্পাপ শৈশবের পরিচয় দেয়, তেমনই অন্যদিকে যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। যেখানে একটি শিশুর সামান্য আবদার মেটানোই কঠিন, সেখানে এক টুকরো মাংস হয়ে উঠেছে অমূল্য সম্পদ। এই এক টুকরো মুরগি হয়তো তাদের সাময়িক আনন্দ দিয়েছে, কিন্তু রেখে গেছে এক গভীর প্রশ্ন—কবে থামবে এই ধ্বংসলীলা আর কবে গাজার শিশুরা ফিরে পাবে তাদের কেড়ে নেওয়া শৈশব?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ