শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

নেপালে থাপ্পড় খেলেন ময়ূখের সহকর্মী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৭৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সম্প্রতি নেপালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘রিপাবলিক বাংলা’র একজন সাংবাদিক জনরোষের শিকার হয়েছেন। চলমান গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করায় এক নেপালি তরুণ তাকে চড় মেরেছেন এবং পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন। এই ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যম ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

রিপাবলিক বাংলা’ এবং এর সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে, এই চ্যানেলটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ক্রমাগত মিথ্যাচার, ভুয়া তথ্য প্রচার, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে বাংলাদেশের অনেকেই ‘মলম বিক্রেতা’ নামে আখ্যায়িত করেছেন। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশকে ছোট করে দেখাতে পারলেই যেন তিনি নিজেকে সার্থক মনে করেন। এই ধরনের সংবাদ পরিবেশনের কারণে বাংলাদেশে ‘রিপাবলিক বাংলা’ প্রায়শই সমালোচিত এবং জনরোষের শিকার হয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাটি ঘটে নেপালে, যেখানে ‘রিপাবলিক বাংলা’র আরেকজন সাংবাদিক (যিনি ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের সহযোগী হিসেবে পরিচিত) নেপালের চলমান গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক প্রশ্ন ও মন্তব্য করছিলেন। এই গণঅভ্যুত্থান নেপালি সমাজের একটি স্পর্শকাতর বিষয়, এবং এ নিয়ে ভিত্তিহীন বা উসকানিমূলক মন্তব্য দ্রুতই সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণ হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নেপালি তরুণ সাংবাদিকের প্রশ্ন ও মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হয়ে তার মুখে সজোরে চড় মারেন এবং তার গলায় থাকা প্রেস আইডি কার্ড ছিঁড়ে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নৈতিকতা, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান এবং ভুয়া তথ্যের বিপদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবাদ পরিবেশন শুধু সমালোচনাই নয়, ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারে, যা গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ