শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

নেপালে থাপ্পড় খেলেন ময়ূখের সহকর্মী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৬১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সম্প্রতি নেপালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘রিপাবলিক বাংলা’র একজন সাংবাদিক জনরোষের শিকার হয়েছেন। চলমান গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করায় এক নেপালি তরুণ তাকে চড় মেরেছেন এবং পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন। এই ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যম ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

রিপাবলিক বাংলা’ এবং এর সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে, এই চ্যানেলটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ক্রমাগত মিথ্যাচার, ভুয়া তথ্য প্রচার, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে বাংলাদেশের অনেকেই ‘মলম বিক্রেতা’ নামে আখ্যায়িত করেছেন। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশকে ছোট করে দেখাতে পারলেই যেন তিনি নিজেকে সার্থক মনে করেন। এই ধরনের সংবাদ পরিবেশনের কারণে বাংলাদেশে ‘রিপাবলিক বাংলা’ প্রায়শই সমালোচিত এবং জনরোষের শিকার হয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাটি ঘটে নেপালে, যেখানে ‘রিপাবলিক বাংলা’র আরেকজন সাংবাদিক (যিনি ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের সহযোগী হিসেবে পরিচিত) নেপালের চলমান গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক প্রশ্ন ও মন্তব্য করছিলেন। এই গণঅভ্যুত্থান নেপালি সমাজের একটি স্পর্শকাতর বিষয়, এবং এ নিয়ে ভিত্তিহীন বা উসকানিমূলক মন্তব্য দ্রুতই সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণ হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নেপালি তরুণ সাংবাদিকের প্রশ্ন ও মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হয়ে তার মুখে সজোরে চড় মারেন এবং তার গলায় থাকা প্রেস আইডি কার্ড ছিঁড়ে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নৈতিকতা, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান এবং ভুয়া তথ্যের বিপদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবাদ পরিবেশন শুধু সমালোচনাই নয়, ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারে, যা গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ