শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আদালতের আদেশ পালন করতে গিয়ে তিন মামলার আসামি হয়েছেন ইউপি সদস্য

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি / ৬৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে চাঁদাবাজি, জমি দখল, চুরি ও অপহরণের তিনটি মামলার আসামি হয়েছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. লেবু মিয়া। তার অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করায় প্রতিহিংসা হিসেবে এসব মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বড়বিল ইউনিয়নের পাকুড়িয়া শরীফ এলাকার মৃত এ এস এম ওবায়দুল্লাহ মনিরাম এলাকার আবুল কাশেমের কাছ থেকে পাকুড়িয়া মৌজার ৯৬ শতক জমি (জে.এল-১২) ক্রয় করেন। ওবায়দুল্লাহ মারা গেলে তার ছেলেরা জমিটি ভোগদখল করতে থাকেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আবুল কাশেম ওই জমির ধান কেটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ ধানগুলো উদ্ধার করে ইউপি সদস্য লেবু মিয়ার জিম্মায় দেয়। আদালতের আদেশে দুই মাস পর প্রকৃত মালিকদের কাছে সেগুলো হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আবুল কাশেম লেবু মিয়াসহ ১০ জনের নামে তিনটি মামলা দায়ের করেন। একটি মামলায় লেবু মিয়া অব্যাহতি পেলেও বাকি দুটি মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে তাকে।

মামলার সাক্ষী মতলুবর রহমান বলেন, “আমি মামলার কিছুই জানি না। লেবু মেম্বার খুব ভালো মানুষ, তিন বছর ধরে অসুস্থ।”

দ্বিতীয় সাক্ষী রুহুল আমিন জানান, “আজই জানলাম আমি মামলার সাক্ষী! লেবু মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো মিথ্যা।”

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ জানান, লেবু মেম্বার তো অনেক দিন ধরে অসুস্থ পা ভাঙ্গা অবার মামলায় বলা হচ্ছে ধান কেটে নিয়ে গেছে। সে ভাঙ্গা পা ধরে কিভাবে থান কাটতে গেলো, জমি বাড়িতে?।

মামলার বাদী আবুল কাশেমকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে বাড়ির ভেতরে চলে যান।

ইউপি সদস্য লেবু মিয়া বলেন, “আমার অপরাধ শুধু আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করা। ভুল হলে আদালতই শাস্তি দিক, কিন্তু আমাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে।”

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি আল এমরান জানান, “মামলাগুলো আমাদের থানায় হয়নি। আদালতের আদেশ এলে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ