শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদকে জড়িত করার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’, ‘অসত্য’ এবং ‘বড় ধরনের স্পর্ধা’ বলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, গণঅধিকার পরিষদ শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী, তাই এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বরং এই ঘটনার মাধ্যমে সরকার এবং জাতীয় পার্টি আন্দোলনের গতিপথ ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একইসঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণঅধিকার পরিষদকে দায়ী করে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি তার বড় ধরনের স্পর্ধা। আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই- জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে ভাঙচুর কিংবা অগ্নিসংযোগের সঙ্গে আমাদের সংগঠনের ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই। শাহবাগে আমরা শান্তিপূর্ণ সংহতি সমাবেশ করেছি। সেখানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল।

এই কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হওয়ার পর হঠাৎ কারা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে গিয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, আমরা জানি না। তবে এটুকু নিশ্চিত, গণঅধিকার পরিষদ বা সংহতি সমাবেশে অংশ নেওয়া কোনো দলই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের সামনেই জাতীয় পার্টির নেতারা মিছিল করেছেন। অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছুই করেনি। আমরা দেখেছি পুলিশ ভাঙচুরের সময় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এটি সরকারের একাংশ এবং প্রশাসনের একাংশের নীরব মদদ ছাড়া সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ যেমন তেজগাঁওয়ে বড় মিছিল করেছে অথচ তাদের প্রতিহত করা হয়নি, তেমনি জাতীয় পার্টিকেও মাঠে নামতে সহায়তা করা হচ্ছে। এর মানে স্পষ্ট- সরকারের একটি মহল তাদেরকে প্রটেকশন দিচ্ছে।

তিনি জিএম কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, জিএম কাদের নিজেই প্রকাশ্যে বলেছেন, ভারতের অনুমতি ছাড়া তিনি আলোচনা সংক্রান্ত কিছু বলতে পারবেন না। এর মানে তিনি ভারতের অনুগত দাসে পরিণত হয়েছেন। বাংলাদেশে কে বিরোধী দল হবে, কে সরকার হবে- এই সিদ্ধান্ত এদেশের জনগণ নেবে। কোনো প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা কিংবা ভারতের মতো বহিরাগত শক্তি এতে নাক গলাতে পারবে না। তবুও যদি জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল বানানোর ষড়যন্ত্র হয়, তবে সেটা জনগণ কখনো মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, শামীম হায়দার পাটোয়ারী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বোঝা যায় তারা ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে। তাই আমি সরকারের কাছে স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি- আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনুদের মতো অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাহলে জিএম কাদের এখনো কেন গ্রেপ্তার হচ্ছেন না? সরকার এ ব্যাপারে দ্বিমুখী নীতি নিলে জনগণ কখনো তা মেনে নেবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ