শিরোনাম
রংপুরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় টিসিএ মিডিয়াকাপ-২০২৬ শুরু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | |Katha24.com || Katha Media বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদে আজ পাস হলো ২৪টি বিল, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নারী সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন … রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডন রংপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, বৃদ্ধ ও কিশোরীসহ আহত অনেকে মিঠাপুকুরে বসতভিটায় হামলা: গাছ কেটে লাখ টাকার ক্ষতি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রংপুরে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিয়ের প্রলোভনে চার বছর ধরে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

মোঃ সুলতান মারজান (হৃদয়), মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি / ১৬৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে চার বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মেহেদী হাসান (৩১)নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ইকবালপুর গ্রামের মোকছুদুর রহমানের ছেলে।

রবিরার ( ১৬ নভেম্বর ) দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে ইকবালপুর গ্রামের আজগার আলীর ছেলে ফজলুল হকের সাথে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয় ওই নারীর। তাদের সংসার জীবনে একটি মেয়ে সন্তান ও আছে। দুজনই চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকতেন। ফজলুল হকের মামাতো ভাই মেহেদী হাসান ও তাদের ভাড়া বাসার অন্য রুমে ভাড়া নিয়ে থাকতেন। দীর্ঘ ৪ (চার) বছর ঢাকায় থাকা কালে মেহেদী হাসানের সাথে ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যান এবং ৪ বছরে ভাড়া বাসায় একাধিক বার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন মেহেদী। পরে বিষয়টি ওই নারীর স্বামী জানতে পারলে তাকে তালাক প্রদান করেন। ওই নারী তালাক প্রাপ্ত হয়ে মেহেদীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে বিয়ে করার কথা বললে মেহেদী হাসান কালক্ষেপন করতে থাকে। একপর্যায়ে মেহেদী হাসান তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

শত চেষ্টা করেও মেহেদী হাসানের সঙ্গে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিয়ের দাবিতে মেহেদী হাসানের গ্রামের বাড়ীতে উপস্থিত হয় ওই নারী। সেখানে বিয়ের দাবী জানিয়ে মেহেদী হাসানের সন্ধান চাইলে মাসুদ মিয়া (৩৫), হুমায়ুন মিয়া (২৮), মোকছুদুর রহমান(৫৫) সহ অজ্ঞাত অনেকে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মারধর করে টেনে হেছড়ে বাড়ি থেকে বের করে রাত ১টার দিকে জায়গীরহাট বাজারে ফেলে রেখে যান ওই নারীকে।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, মেহেদী বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। বিষয়টি তার স্বামী জানলে তালাক প্রদান করেন। এরপর থেকে শুরু হয় মেহেদীর আসল রুপ। তাকে বিয়ের কথা বললেই টালবাহানা করতে থাকেন। এক সময় যোগাযোগ ও বন্ধ করে দেন। পরে বিয়ের দাবি নিয়ে তার গ্রামের বাড়িতে গেলে। তার পরিবারের লোকজনের মারধরের শিকার হন। একপর্যায়ে রাতে তাকে এক বাজারে ফেলে রেখে যান মেহেদী পরিবার। নিরুপায় হয়ে পিত্রালয়ে চলে আসেন তিনি। কিন্তু মেহেদী হাসান সহ তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি হুমকি প্রদানে দিন কাটছে তার বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেহেদী হাসানের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে মেহেদী হাসানের বড় ভাই মাসুদ মিয়া জানান, এটি আমাদের পারিবারিক বিষয়। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি। এটি নিয়ে লেখা লেখি না করাই ভালো হবে।

মিঠাপুকুর থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বাদী চাইলেই মামলা করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ