শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি ও গরু।

মোঃ দুর্জয় হাসান, নাগেশ্বরী কুড়িগ্রাম / ২৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদনদীর পানি বাড়ছে। পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি। ধারণা করা হচ্ছে, বন হতে পানির স্রোতে এসব গাছ ভেসে আসছে। কাটা গাছের গুড়ির সঙ্গে শেকড়সহ উপড়ে আসা গাছও পাওয়া যাচ্ছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নানা উপায়ে এসব গাছ নদী থেকে সংরক্ষণ করছেন তীরবর্তী মানুষ। বাংলাদেশের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ঢলডাঙা, শালঝোড় এলাকায় কালজানি নদীর পাড় থেকে এসব তুলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ভেসে আসা বেশির ভাগ গাছ কেটে রাখা। কিছু গাছ শেকড়সহ আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, পানির স্রোতে বন থেকে উপড়ে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুটান থেকে জয়গা এলাকা হয়ে হাসিমারা ফরেস্ট থেকে এসব কাঠ আসতে পারে। ভারতের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে। তারা বলছেন, কালজানির উজানে ভারতের হাসিমারা বনাঞ্চল রয়েছে। সেখানে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করেছে এবং তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে।

ভুটান ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলা দিয়ে কালজানি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আশপাশের একাধিক বনাঞ্চল প্লাবিত হয়ে এসব কাঠের গুড়ি ভেসে আসতে পারে।

ওই এলাকার লেবু মিয়া ও নুর ইসলাম জানান, পানির উপরে খালি গাছ আর গাছ। মাঝে মধ্যে মরা গরুও আসতেছে। মনে হচ্ছে অলৌকিক ঘটনা। ঘাটিয়াল আবু সাইদ জানান, বিকেল ৩টার দিক থেকে গাছগুলো আসতেছে। যে যেভাবে পারে তুলছে। নদীর পানি ওইভাবে বাড়েনি। বন্যা হবে না।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী বলেন, শুধু গাছ দেখা যাচ্ছে। লোকজন নৌকা দিয়ে সাতরে গাছ ধরে আনছে। এতো গাছ কোত্থেকে আসতেছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে ভারত থেকে আসতেছে এটা শিওর। এখনও বন্যা হওয়ার মতো হয়নি। বন্যা নাও হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ