শিরোনাম
জাতীয় সংসদে আজ পাস হলো ২৪টি বিল, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নারী সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন … রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডন রংপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, বৃদ্ধ ও কিশোরীসহ আহত অনেকে মিঠাপুকুরে বসতভিটায় হামলা: গাছ কেটে লাখ টাকার ক্ষতি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রংপুরে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত রংপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান বক্তাদের রংপুরে চাকরীর পরীক্ষায় জালিয়াতি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ২৫ জন গ্রেফতার নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নব-নিযুক্ত প্রশাসকের বিএমইউজে রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল আলোচনা সভা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি ও গরু।

মোঃ দুর্জয় হাসান, নাগেশ্বরী কুড়িগ্রাম / ২০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদনদীর পানি বাড়ছে। পানি বাড়ায় ভারত থেকে কালজানি নদী দিয়ে ভেসে আসছে হাজার হাজার গাছের গুড়ি। ধারণা করা হচ্ছে, বন হতে পানির স্রোতে এসব গাছ ভেসে আসছে। কাটা গাছের গুড়ির সঙ্গে শেকড়সহ উপড়ে আসা গাছও পাওয়া যাচ্ছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নানা উপায়ে এসব গাছ নদী থেকে সংরক্ষণ করছেন তীরবর্তী মানুষ। বাংলাদেশের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ঢলডাঙা, শালঝোড় এলাকায় কালজানি নদীর পাড় থেকে এসব তুলছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ভেসে আসা বেশির ভাগ গাছ কেটে রাখা। কিছু গাছ শেকড়সহ আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, পানির স্রোতে বন থেকে উপড়ে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভুটান থেকে জয়গা এলাকা হয়ে হাসিমারা ফরেস্ট থেকে এসব কাঠ আসতে পারে। ভারতের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে। তারা বলছেন, কালজানির উজানে ভারতের হাসিমারা বনাঞ্চল রয়েছে। সেখানে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করেছে এবং তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে।

ভুটান ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলা দিয়ে কালজানি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আশপাশের একাধিক বনাঞ্চল প্লাবিত হয়ে এসব কাঠের গুড়ি ভেসে আসতে পারে।

ওই এলাকার লেবু মিয়া ও নুর ইসলাম জানান, পানির উপরে খালি গাছ আর গাছ। মাঝে মধ্যে মরা গরুও আসতেছে। মনে হচ্ছে অলৌকিক ঘটনা। ঘাটিয়াল আবু সাইদ জানান, বিকেল ৩টার দিক থেকে গাছগুলো আসতেছে। যে যেভাবে পারে তুলছে। নদীর পানি ওইভাবে বাড়েনি। বন্যা হবে না।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী বলেন, শুধু গাছ দেখা যাচ্ছে। লোকজন নৌকা দিয়ে সাতরে গাছ ধরে আনছে। এতো গাছ কোত্থেকে আসতেছে বোঝা যাচ্ছে না। তবে ভারত থেকে আসতেছে এটা শিওর। এখনও বন্যা হওয়ার মতো হয়নি। বন্যা নাও হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ