শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

লালমনিরহাটে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত

স্থানীয় রিপোর্ট / ১৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক বিরল উদাহরণ স্থাপন করেছে লালমনিরহাট শহর। শহরের পুরান বাজারে একই আঙিনায় পাশাপাশি অবস্থিত পুরান বাজার জামে মসজিদ এবং পুরান বাজার কালীবাড়ি কালী ও দুর্গামন্দির যুগ যুগ ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্মীয় সহাবস্থান বজায় রেখেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দির-মসজিদ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা যায়, এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির সহাবস্থানের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ১৮৩৬ সালে পুরান বাজার কালীমন্দিরটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর ১৯১৫ সালের দিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ নামাজের জন্য মন্দিরের পাশে ২ থেকে ৩ ফুট দূরে একই আঙিনায় একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ তৈরি করেন, যা পরে পুরান বাজার জামে মসজিদে রূপান্তরিত হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কালীমন্দিরের পাশে দুর্গামন্দির স্থাপিত হয়।

একই স্থানে দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান হলেও, এটি দুই সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পাদনে কখনো কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেনি। অভিন্ন এই আঙিনায় একদিকে যেমন মুসলিমদের জানাজা হয়, তেমনি অন্যদিকে হিন্দুদের লীলাকীর্তনসহ নানা অনুষ্ঠানও চলতে থাকে।

দীর্ঘদিনের এই সম্প্রীতির মূল কারণ হলো পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া।

স্থানীয় মুসল্লি জাহাঙ্গীর আলম এই পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, বোঝাপড়া ঠিক থাকলে কোনো সমস্যা হতে পারে না। লালমনিরহাটের এই মন্দির-মসজিদ শুধু উপাসনালয় নয়, এটি বাংলাদেশের সমাজকে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের এক অনন্য বার্তা দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ