শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

লালমনিরহাটে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত

স্থানীয় রিপোর্ট / ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক বিরল উদাহরণ স্থাপন করেছে লালমনিরহাট শহর। শহরের পুরান বাজারে একই আঙিনায় পাশাপাশি অবস্থিত পুরান বাজার জামে মসজিদ এবং পুরান বাজার কালীবাড়ি কালী ও দুর্গামন্দির যুগ যুগ ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্মীয় সহাবস্থান বজায় রেখেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দির-মসজিদ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা যায়, এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির সহাবস্থানের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ১৮৩৬ সালে পুরান বাজার কালীমন্দিরটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর ১৯১৫ সালের দিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ নামাজের জন্য মন্দিরের পাশে ২ থেকে ৩ ফুট দূরে একই আঙিনায় একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ তৈরি করেন, যা পরে পুরান বাজার জামে মসজিদে রূপান্তরিত হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কালীমন্দিরের পাশে দুর্গামন্দির স্থাপিত হয়।

একই স্থানে দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থান হলেও, এটি দুই সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পাদনে কখনো কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেনি। অভিন্ন এই আঙিনায় একদিকে যেমন মুসলিমদের জানাজা হয়, তেমনি অন্যদিকে হিন্দুদের লীলাকীর্তনসহ নানা অনুষ্ঠানও চলতে থাকে।

দীর্ঘদিনের এই সম্প্রীতির মূল কারণ হলো পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া।

স্থানীয় মুসল্লি জাহাঙ্গীর আলম এই পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, বোঝাপড়া ঠিক থাকলে কোনো সমস্যা হতে পারে না। লালমনিরহাটের এই মন্দির-মসজিদ শুধু উপাসনালয় নয়, এটি বাংলাদেশের সমাজকে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের এক অনন্য বার্তা দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ