শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

গাজার শিশুরা বলছে, তারা মরতে চায় যেন স্বর্গে গিয়ে খাবার পায়: সেভ দ্য চিলড্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

গাজায় দুর্ভিক্ষ নিয়ে সম্প্রতি যা ঘোষণা হয়েছে, তা ‘অবাক করার মতো কিছু নয়’ — বরং বাস্তবতা আরও ভয়াবহ বলে দাবি করেছেন সেভ দ্য চিলড্রেনের সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার শাইমা আল-ওবাইদি। বলেন, ‘গাজার শিশুরা আমাকে বলেছে, তারা চায় যেন তারা মারা যায়, যাতে তারা জান্নাতে গিয়ে অন্তত খেতে পারে।’

শাইমা আল-ওবাইদি জানান, তিনি গাজায় ছিলেন রমজান মাসে অর্থাৎ ২ মার্চ, যখন হঠাৎ করে ত্রাণ প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। “সেদিন গাজায় একটা আনন্দের আবহ ছিল, কারণ বাজারে বহুদিন পর লেটুস পাতা পাওয়া গিয়েছিল। সবাই আলোচনা করছিলেন, ইফতারে কোন সালাদ বানানো হবে কি না।’

কিন্তু মাত্র কদিনের মধ্যে পরিস্থিতি নেমে আসে চরমে। কয়েক দিনের মধ্যে প্রোটিন ও মাংসের জোগান শেষ হয়ে যায়। এরপর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোনো তাজা ফল বা সবজি কিছুই নেই। এক মাসের মধ্যেই ময়দাও শেষ হয়ে যায়, আর যা পাওয়া যাচ্ছিল, তা ছিল স্বাভাবিকের তিনগুণ দাম।

‘মানুষ ঘাস খাচ্ছিল, গাছের পাতা খাচ্ছিল,’ — বলেন শাইমা। সবচেয়ে মর্মান্তিক অংশটি তখনই উঠে আসে, যখন তিনি বলেন: ‘শিশুরা আমাকে বলেছে, তারা চায় যেন তারা মারা যায়, যাতে তারা স্বর্গে গিয়ে অন্তত খেতে পারে।’

শাইমা আল-ওবাইদি দাবি করেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই গাজা মানব শূন্য নগরীতে পরিণত হবে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য শুধু হামাস কিংবা ইসরায়েল দায়ী নয়—সকল রাষ্ট্র দায়ী যারা নীরবে এই হত্যাযজ্ঞ দেখেছেন এবং প্রতিবাদ জানাননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ