শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

কালীগঞ্জসহ পাঁচ উপজেলায় দুইজন সাব-রেজিস্ট্রার,দুর্ভোগে জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা

কায়সারুল আলম সোহাগ, কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি / ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাসহ পাঁচটি উপজেলায় মাত্র দুইজন সাব-রেজিস্ট্রার দিয়ে জমি রেজিস্ট্রির কাজ চলছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ জনগণ। জমি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে যেমন নাগরিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

কালীগঞ্জের তুষভান্ডার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০০টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়, যেখানে প্রতি লাখ টাকার রেজিস্ট্রিতে চার স্তরে সরকার ৭,৫০০ টাকা করে রাজস্ব পায়। কিন্তু স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় সপ্তাহে মাত্র একদিন অফিস করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এতে কাজের চাপ বাড়ে এবং জটিলতা সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়ন থেকে মানুষ দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসলেও অধিকাংশ দিন সাব-রেজিস্ট্রার অনুপস্থিত থাকেন। অনেকেই সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বসে থেকেও কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তারিখ ঠিক থাকার পরও সাব-রেজিস্ট্রার আসেননি। আবার আসতে হয়েছে।”

দলিল লেখকরা জানান, ব্যাংক ড্রাফট ও কাগজপত্র জোগাড় করতেই একদিন কেটে যায়, কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার না থাকলে পুরো প্রক্রিয়াই ব্যর্থ হয়।

বর্তমানে হাতীবান্ধা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার আরিফ ইশতিয়াক অতিরিক্ত দায়িত্বে লালমনিরহাট সদর, তুষভান্ডার ও হাতীবান্ধার কাজ সামলাচ্ছেন। ফলে সময়মতো অফিসে উপস্থিত হতে না পারায় দলিল নিবন্ধন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ৪০ জন দলিল লেখক, ৮৭ জন নকলনবিশসহ শতাধিক পেশাজীবী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতনমহল দ্রুত স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ