শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

কালীগঞ্জসহ পাঁচ উপজেলায় দুইজন সাব-রেজিস্ট্রার,দুর্ভোগে জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা

কায়সারুল আলম সোহাগ, কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি / ১৬৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলাসহ পাঁচটি উপজেলায় মাত্র দুইজন সাব-রেজিস্ট্রার দিয়ে জমি রেজিস্ট্রির কাজ চলছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ জনগণ। জমি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে যেমন নাগরিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তেমনি সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

কালীগঞ্জের তুষভান্ডার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০০টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়, যেখানে প্রতি লাখ টাকার রেজিস্ট্রিতে চার স্তরে সরকার ৭,৫০০ টাকা করে রাজস্ব পায়। কিন্তু স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় সপ্তাহে মাত্র একদিন অফিস করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এতে কাজের চাপ বাড়ে এবং জটিলতা সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়ন থেকে মানুষ দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসলেও অধিকাংশ দিন সাব-রেজিস্ট্রার অনুপস্থিত থাকেন। অনেকেই সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বসে থেকেও কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তারিখ ঠিক থাকার পরও সাব-রেজিস্ট্রার আসেননি। আবার আসতে হয়েছে।”

দলিল লেখকরা জানান, ব্যাংক ড্রাফট ও কাগজপত্র জোগাড় করতেই একদিন কেটে যায়, কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার না থাকলে পুরো প্রক্রিয়াই ব্যর্থ হয়।

বর্তমানে হাতীবান্ধা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার আরিফ ইশতিয়াক অতিরিক্ত দায়িত্বে লালমনিরহাট সদর, তুষভান্ডার ও হাতীবান্ধার কাজ সামলাচ্ছেন। ফলে সময়মতো অফিসে উপস্থিত হতে না পারায় দলিল নিবন্ধন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ৪০ জন দলিল লেখক, ৮৭ জন নকলনবিশসহ শতাধিক পেশাজীবী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতনমহল দ্রুত স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ