শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

বিএনপি–জামায়াতের সমঝোতায় অবৈধ বালু উত্তোলন, অভিযানে বন্ধ করলেন সহকারী কমিশনার

তানভীর আহমাদ, রংপুর (পীরগঞ্জ) প্রতিনিধি / ২৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সারাদেশে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী হলেও রংপুরের পীরগঞ্জে এ দুই দলের কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে গড়ে উঠেছে অদ্ভুত সমঝোতা। করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য তারা নিজেদের মধ্যে একটি চুক্তি (অঙ্গীকারনামা) স্বাক্ষর করেছেন। যাতে বিষয়টি দলীয় পর্যায়ে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে জন্য অঙ্গীকারনামার কপি নেতৃবৃন্দকেও সরবরাহ করা হয়েছে। ওই সমঝোতায় সমন্বয়কারী ও উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বাদশা মিয়া (মুহরী)। জানা গেছে, গত ১১ আগস্ট সোমবার রাত ১০টার দিকে এ সমঝোতা সম্পন্ন হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার‌ (২২/০৯/২০২৫) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ৬নং টুকুরিয়া ইউনিয়নের জয়ন্তীপুর ঘাট এলাকায় করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর আহমেদ। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলন চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা পাইপ কেটে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন—

“আমরা ঘটনাস্থলে থাকা পাইপ কেটে ধ্বংস করেছি। উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা হবে। পরিবেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে।”

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় অবৈধ বালু ব্যবসা চলছিল। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগে সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

পরিবেশবিদদের মতে, এ ধরনের বালু উত্তোলন নদী ভাঙন, কৃষিজমি ধ্বংস ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই অবৈধ বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ