কাউনিয়ার এক নির্বাচনী জনসংযোগ কালে এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে শাপলা প্রতীক চেয়েছি শাপলার কোন বিকল্প নেই,শাপলার বিভিন্ন ডিজাইন উপস্থাপন করেছি, তারা শাপলার পরিবর্তে শাপলার বিকল্প হিসেবে শাপলা কলি প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং গেজেট ভূক্ত করেছেন। সাধারণ মানুষ যদি শাপলার বিকল্প হিসেবে গ্রহন করেন তা যদি দৃষ্টি নন্দন হয় তা হলে আমরা বিবেচনা করে দেখবো।
তিনি বৃহস্পতিবার রাত বারোটার দিকে তার নিজ এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে কাউনিয়া উপজেলা এনসিপি কার্যালয়ের সামনেএসব কথা বলেছেন।
গণ সংযোগ কালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কাউনিয়া উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক সাইদুল ইসলাম,পীরগাছা উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক কারী আব্দুল্ল্যা আল মামুন,এনসিপি কাউনিয়া উপজেলা সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জুয়েল রানা প্রমূখ।
আখতার হোসেন আরো বলেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ সামগ্রিক ভাবে কর্ম সংস্থানের দিক থেকে অনেক দুর পিছিয়ে রয়েছে। এর থেকে কাউনিয়া-পীরগাছা এলাকা ব্যাতিক্রম নয়।
এ অঞ্চলে শিক্ষিতের হার বাড়লেও তাদের কর্মসংস্থানের তেমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। জাতীয় নাগরিক পার্টি এ অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার তরুনেরা কোন পেশার সাথে যুক্ত হতে পারলে তাদের পেশার জায়গা পাকাপোক্ত ভাবে নির্ধারন করতে পারবে সে বিষয় কাজ করতে চাই,পরামর্শের ব্যবস্থা করতে চাই, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র গুলোকে উন্মুক্ত করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, কাউনিয়া-পীরগাছা এলাকায় কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চল নেই। এ এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এ এলাকার মানুষ ক্ষুদ্র, কুটির শিল্প ও প্রবাসে যাওয়ার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। যাতে তারা বিদেশে গিয়ে রেমিটেন্স আয় করে দেশে পাঠাতে পারেন তার ব্যবস্থা করব।
এনসিপির এই নেতা বলেন, সৃষ্টিকর্তা যদি আমাকে এ এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে কবুল করেন তাহলে এ অঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যে উন্নয়নে কাজ করব।