শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় হিন্দুপাড়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, শুরু হয়েছে ঘরবাড়ি মেরামতের কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর / ১৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নের আলদাদপুর বালাপাড়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল এ তথ্য জানান।

এদিকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে হিন্দুপাড়ার ঘর মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে প্রশাসন রয়েছে। ঘটনাস্থলে থেকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গতকাল সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রংপুরের জেলা প্রশাসক। এদিন তিনি জানান, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ২২টি পরিবারের মধ্যে ১৯টি পরিবার বর্তমানে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আটক রঞ্জন কুমার রায় এবং তার চাচার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে পার্শ্ববর্তী গ্রামে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে।

এ বিষয়ে রংপুরের পুলিশ সুপার মো. আবু সাইম জানান, হামলার ঘটনায় মোট ১২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে ২২টি পরিবার বসবাস করত। রঞ্জন আটক হওয়ার পর থেকেই তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তবে বাকি ১৯টি পরিবারের পুরুষ সদস্যরা নিজ বাড়িতে আছেন।

পুলিশ সুপার বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্তকরণ শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয়ে পুলিশ ও প্রশাসন সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ