রংপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মুজাহিদ ইসলামকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারাগঞ্জ উপজেলার ভীমপুর কেরানীপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মুজাহিদ শিশু সানজিদাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে তারাগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
তিনি জানান, শুক্রবার মায়ের বকা খেয়ে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয় আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কেরানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে সানজিদা (৯)। জুম্মার নামাজের পর শিশুটি রাস্তা দিয়ে পাটক্ষেতের কাছাকাছি পৌছালে আসামী মুজাহিদ কৌশলে তাকে পাটক্ষেতের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে একটি ভিডিও দেখায় এবং তাকে কৌশলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় সানজিদার চিৎকার করলে মুজাহিদ দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরের দিন পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধারসহ আলামত সংগ্রহ করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে এবং মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় শিশু সানজিদার বাবা বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সুশান্ত কুমার রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আসামী মুজাহিদকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। ### ২৩-০৬-২৬ইং