রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি কর্পোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানী শেষে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ মঞ্জুম আলীর কর্মী-সমর্থকরা আনন্দে ফেটে পড়েন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুকরিয়া জ্ঞাপনসহ রংপুর-১ আসনে মঞ্জুম আলীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জানা যায়, হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্ব উল্লেখ করা নিয়ে গত ১ জানুয়ারী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরপর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুম আলী। এতে শুনানীতে পূনরায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রটি পূনর্বিবেচনা করার আবেদন করেন মঞ্জুম আলী। শনিবার শুনানী শেষে কমিশন মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেন।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ইয়াসির আহমেদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসনে মঞ্জুম আলী আমাদের হেভিওয়েট প্রার্থী। হলফনামায় সামান্য ত্রুটির কারণে তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন আজ সেই মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছে। আমরা কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সাথে আগামীতে সকল দলের জন্য যেন নির্বাচনী মাঠ সমতল থাকে সেই দাবী জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মঞ্জুম আলী ছাড়াও মনোনয়নপত্র বৈধ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি’র মোকাররম হোসেন সুজন, জামায়াতের রায়হান সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফা, এনসিপি’র আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আহসানুল আরেফিন, ইসলামিক ফ্রন্টের মোঃ আনাস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোঃ মমিনুর রহমান নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তিস্তা নদী বেষ্টিত গঙ্গাচড়া উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত রংপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯২ জন, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৩১ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন রয়েছেন।